কি খেলে গর্ভের শিশুর মস্তিস্কের বিকাশ ভালো হবে?

আমরা সবাই হয়ত জানি শিশুর মস্তিস্কের বিকাশ মায়ের গর্ভেই শুরু হয়ে যায়। এজন্য গর্ভবতী মায়ের খাবারে আমাদের বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। গর্ভধারন করলে এমনিতেই মেয়েদের খাবারের প্রতি অনিহা চলে আসে। কেউ কেউ একদমই খাবার খেতে পারে না। খেলেই বমি করে ফেলে। তখন বাচ্চারা অপুষ্টিতে ভুগে। এজন্য গর্ভবতী মায়েদের সবকিছু অতিরিক্ত না খেয়ে কি খেলে বাচ্চার ব্রেইন ডেভেলপমেন্ট হবে সেটা খেতে হবে।

বাচ্চার ব্রেইন ডেভেলপমেন্টের জন্য গর্ভবতী মায়েদের যেসব খাবার খাওয়া উচিত তা নিচে দেওয়া হল-

১।ডিম- ডিমে প্রচুর পরিমানে প্রোটিন ও ভিটামিন থাকে। যা খেলে শিশুর মস্তিস্কের বিকাশের পাশাপাশি শরীরের ওজনও বৃদ্ধি পায়।
২।দুধ- গর্ভবতী মায়েদের প্রতিদিন অন্তত ১ গ্লাস করে দুধ খাওয়া উচিত। যা দেহের ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পুরন করে। অনেকে গর্ভাবস্থায় দুধ খেতে পারে না সে ক্ষেত্রে দুধের তৈরি খাবার যেমন-পুডিং,দই, ফিরনি ইত্যাদি খাওয়া যেতে পারে।
৩।মাছ- বিভিন্ন রকমের ছোট মাছ, সামুদ্রিক মাছ খেতে হবে।কারন এতে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড শিশুর মস্তিস্কের বিকাশে গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা রাখে।
৪।মাংস-প্রতিদিন যে কোন মাংস যেমন-মুরগি বা গরুর মাংস ১/২ পিস খেতে হবে।এতে থাকা প্রোটিন শিশুর ওজন বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে।
৫।শাক-সবজি- প্রচুর পরিমানে সবুজ শাক-সবজি খেতে হবে। এছাড়া লাল শাক,কচুর শাক শরীরের রক্তশুন্যতা দূর করে।
৬।ফল্মুল- প্রতিদিন অন্তত ৩/৪ টি খেজুর খেতে হবে। কিন্তু যাদের ডায়বেটিসের লক্ষন থাকে তাদের ১/২ টির বেশি খেজুর খাওয়া উচিত নয়।এছাড়া ৮/১০টি কাজুবাদাম,কাঠবাদাম,কিসমিস,কলা,কমলা,আপেল ইত্যাদি খেতে হবে। দৈনিক ১টি করে আপেল খেলে বাচ্চার ওজন যেমন বৃদ্ধি পায় তেমনি গায়ের রঙও ফর্সা হয়।

গর্ভবতী মায়েদের প্রতিদিন প্রচুর পরিমানে পানি পান করতে হবে। নরমাল পানির পাশাপাশি ডাবের পানি বা বিভিন্ন ফলের জুস খাওয়া ভাল।

এছাড়া গর্ভবতী মায়েদের পর্যাপ্ত ঘুম যেমন প্রয়োজন তেমনি বিনোদন প্রয়োজন।কিছু শারীরিক ব্যায়াম করা উচিত।ব্যায়াম শরীর ও মন ভালো রাখে। এ সময় অতিরিক্ত মানসিক চাপ পরিহার করে চলতে হবে। ব্রেইন রিলাক্স রাখার জন্য গান শুনতে পারে,বই পড়তে পারে।যা শিশুর মানসিক বিকাশে ইতিবাচ্ক ভুমিকা রাখে।

Sharing is Caring:

Picture of Anacardium Orientale

Anacardium Orientale

Anacardium Ori একটি হোমিওপ্যাথিক ওষুধ, যা স্মৃতিশক্তি দুর্বলতা, আত্মবিশ্বাসের অভাব ও মানসিক দ্বিধা জনিত সমস্যা দূর করতে সহায়ক। এটি প্রাকৃতিকভাবে মনের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনে এবং দেহে স্বস্তি তৈরি করে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Contact US