আপনি কি আপনার বাচ্চার মানসিক বিকাশ নিয়ে চিন্তিত?
ব্রেইন ডেভেলপমেন্ট বা মস্তিস্কের বিকাশ একটি স্বাভাবিক ও চলমান প্রক্রিয়া। কিন্তু অনেকের এই বিকাশ স্বাভাবিকভাবে হয় না বা বয়সের তুলনায় অন্য বাচ্চাদের থেকে কম বিকাশ হয়। যার ফলে বাচ্চার বাবা মায়েরা দুশ্চিন্তায় পরে যায়। কিন্তু দুশ্চিন্তা না করে বাচ্চাদের মানসিক বিকাশের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। এছাড়া মানসিক বিকাশ স্বাভাবিক থাকলেও চর্চা করে মস্তিস্কের বিকাশ আরও উন্নত করা যেতে পারে।
এখন কি ভাবছেন? কিভাবে মানসিক বিকাশের জন্য চর্চা করা উচিত?মস্তিস্কের বিকাশ ও উন্নতির জন্য নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। ব্যায়াম মস্তিস্কে রক্ত প্রবাহ বাড়ায়, যা নতুন নিউরনের বৃদ্ধি করে। প্রতিদিন রাতে ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুমাতে হবে। পর্যাপ্ত ঘুম ব্রেইন কে রিলাক্স রাখে। পরিমিত আহার গ্রহন করতে হবে।পরিমানের চেয়ে বেশি খাবার খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। শুধু খাবার খেলেই হবে না। পুষ্টিকর খাদ্যাভাস গড়ে তুলতে হবে। প্রতিদিন দুধ,ডিম,বাদাম,খেজুর,কিসমিস,কলা ইত্যাদি খেতে হবে।পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে।এছাড়া ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার (যেমন: মাছ, আখরোট, ফ্ল্যাক্সসিড), অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট (যেমন: বেরি, সবুজ শাক-সবজি) এবং গোটা শস্য মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।এছাড়া বিভিন্ন সৃজনশীল কাজ যেমন- লেখালেখি করা, ছবি আকা,বাগান করা বা প্রকৃতির সাথে কিছু সময় কাটানো, বিভিন্ন জিনিসে হাতের কাজের ডিজাইন করা,সেলাই কাজ করা ইত্যাদি করে মানসিক বিকাশ করা যেতে পারে। বিভিন্ন গঠনমূলক কাজে বেশি বেশি অংশগ্রহন করতে হবে। প্রতিদিন নতুন নতুন কিছু শেখার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।মানুষের সাথে যোগাযোগ বৃদ্ধি করতে হবে। কারন যোগাযোগ রাখলে যেমন সামাজিকতা বজায় রাখা যায় তেমনি নিজেদের মন মানসিকতাও ভালো থাকে। ছোট ছোট বাচ্চাদের স্কুল, কলেজের বিভিন্ন ক্লাবে যোগদানে উৎসাহিত করতে হবে। অবসর সময়ে বই পড়ার অভ্যাস করা ভাল। এছাড়া কিছু সময় গান শুনা, মুভি দেখা যেতে পারে। মাঝে মাঝে কোথাও ঘুরতে গেলেও চারপাশের পরিবেশ থেকেও অনেক জ্ঞান অর্জন করা যায় যা মস্তিস্কের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে।

এই সবকিছুর পাশাপাশি আরও একটি সাপ্লিমেন্ট আমাদের মানসিক বিকাশের প্রয়োজন। আর তা হল এনাকার্ডিয়াম ওরি। এটি একটি ব্রেইন টনিক যা স্নায়ুতন্ত্রকে সঠিকভাবে পরিচালনা করে এবং মানসিক বিকাশে সহায়তা করে।


